শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৪:২১ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ঈদে নির্বিঘ্ন যাতায়াতে ডিএমপির কঠোর নির্দেশনা: ৭ দিন বন্ধ থাকবে ভারী যানবাহন বৃষ্টির হানা মিরপুরে: ৩২ ওভারে বাংলাদেশের লক্ষ্য ২৪০ রান ইরাকে মার্কিন জ্বালানি বিমান বিধ্বস্ত: ৬ আরোহীর সবাই নিহত ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন: কার্য উপদেষ্টাসহ ৫ সংসদীয় কমিটি গঠন, পর্যালোচনায় আসবে ১৩৩ অধ্যাদেশ ধামরাইয়ে জরাজীর্ণ মিটারে বারবার আগুন: নতুন সংযোগে পল্লী বিদ্যুতের ‘গড়িমসি’, আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা রাষ্ট্রপতির পরস্পরবিরোধী বক্তব্য ও নৈতিকতা: পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল রাজনৈতিক অঙ্গন ইরানে সরকার পতন সম্ভব নয়: ইসরায়েলের ‘অসহায়’ স্বীকারোক্তি হরমুজ প্রণালিতে ৩ জাহাজে ভয়াবহ হামলা: একটিতে আগুন, নাবিকদের উদ্ধার

ছিনিয়ে নেওয়া সেই আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

ছিনিয়ে নেওয়া সেই আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

পাবনা জেলা প্রতিনিধি:: জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা করে ছিনিয়ে নেওয়া পাবনার সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাবকে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া সেই ঘটনার জেরে বিভিন্ন সময়ে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে সুজানগর উপজেলার ভায়না ইউনিয়নের মথুরাপুর এলাকার গাজনার বিলে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

আব্দুল ওহাব সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক চেয়ারম্যান এবং সাবেক পৌর মেয়র। তিনি গত জুলাই-আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা একাধিক মামলার পলাতক আসামি ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা বলেন, আব্দুল ওহাব গাজনার বিলে একটি বাড়িতে লুকিয়ে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল ৭টার দিকে অভিযান চালিয়ে ওহাবসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে এই ঘটনায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পুলিশের কাছ থেকে ছিনতাইয়ের পর নিজ নেতাকর্মীদের মামলা-হামলা থেকে বাঁচাতে আব্দুল ওহাব নিজ থেকে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এরপর পুলিশের সঙ্গে কথা অনুযায়ী গাজনার বিল এলাকায় ফজর নামাজের পর আত্মসমর্পণ করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।

এর আগে শনিবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আব্দুল ওহাবের নিজ এলাকা সুজানগর পৌর এলাকার মথুরাপুর হাইস্কুলের সামনে আব্দুল ওহাবকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সঙ্গে সঙ্গে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে পুলিশের গাড়ির ওপর হামলা করে গাড়ি থেকে আব্দুল ওহাবকে ছিনিয়ে নেয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

এঘটনায় পুলিশের ৮ জন সদস্য আহত হয়েছিলেন। ঘটনার পরদিন ৬৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ২ থেকে ৩শ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয় এবং অভিযান চালিয়ে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীরা পৃথক বিক্ষোভ মিছিল করে থানার ওসির অপসারণে তিন দিনের আল্টিমেটাম দেয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com